জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি, আত্মত্যাগ এবং ঐতিহাসিক ঘটনাপ্রবাহ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে সংরক্ষণ ও তুলে ধরার লক্ষ্যে নির্মিত জুলাই জাদুঘর আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী।
বুধবার (৫ আগস্ট) সকাল ৯টার দিকে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে জাদুঘরের স্মারক ফলক উন্মোচনের মাধ্যমে এর উদ্বোধন করেন তিনি। উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী জাদুঘরের বিভিন্ন গ্যালারি ঘুরে দেখেন এবং সেখানে সংরক্ষিত আলোকচিত্র, প্রামাণ্য নথি, ভিডিওচিত্র ও স্মারক সংগ্রহ পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনকালে তিনি বিগত সরকারের সময়কার নির্যাতন, দমন-পীড়ন এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলন ও গণঅভ্যুত্থানের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার তথ্য ও উপস্থাপনা পর্যবেক্ষণ করেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং প্রধানমন্ত্রীর কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। এছাড়া সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছাত্রনেতারা, শহীদ পরিবারের সদস্য এবং বিভিন্ন অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিরাও অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগ, আন্দোলনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত এবং সে সময়ের ঘটনাবলির প্রামাণ্য ইতিহাস ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে সংরক্ষণ ও তুলে ধরার উদ্দেশ্যেই জাদুঘরটি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
জাদুঘরের প্রদর্শনীতে স্থান পেয়েছে আন্দোলনের সময়কার আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, শহীদ ও আহতদের ব্যবহৃত বিভিন্ন সামগ্রী এবং সেই সময়ের নানা গুরুত্বপূর্ণ দলিল ও তথ্যভিত্তিক উপকরণ, যা দেশের সাম্প্রতিক ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়কে দর্শনার্থীদের সামনে তুলে ধরবে।
একটি মন্তব্য করুন
আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না। প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি * দিয়ে চিহ্নিত