ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের চলমান কূটনৈতিক যোগাযোগকে কেন্দ্র করে ট্রাম্প প্রশাসনের অবস্থান নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ইসরায়েলের কয়েকজন কর্মকর্তা। তাদের আশঙ্কা, ওয়াশিংটন তেহরানের সঙ্গে একটি নতুন সমঝোতায় পৌঁছানোর চেষ্টা করছে, যা ইসরায়েলের নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক কৌশলের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম চ্যানেল ১২-এর এক প্রতিবেদনে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসনের সাম্প্রতিক পদক্ষেপ তেল আবিবে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসরায়েলের উদ্বেগের অন্যতম কারণ হলো ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক আলোচনার বিষয়ে পর্যাপ্ত তথ্য ভাগাভাগি না হওয়া। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালীসংক্রান্ত আলোচনা নিয়ে ওয়াশিংটন থেকে সরাসরি বিস্তারিত তথ্য না পাওয়ায় ইসরায়েলকে বিকল্প বা পরোক্ষ উৎসের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে উদ্ধৃত ওই কর্মকর্তা বলেন, ট্রাম্প প্রশাসনের নীতিগত অবস্থান খুব দ্রুত পরিবর্তিত হতে পারে। তার ভাষায়, শান্তি ও সংঘাতের মধ্যে ব্যবধান অত্যন্ত অল্প, যা যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান নীতির অনিশ্চয়তাকেই প্রতিফলিত করে।
চ্যানেল ১২ আরও দাবি করেছে, ইসরায়েলের নীতিনির্ধারকদের মধ্যে ব্যক্তিগত পর্যায়ে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক কূটনৈতিক উদ্যোগ নিয়ে নানা ধরনের আলোচনা ও সমালোচনা চলছে।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, যদি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন কোনো সমঝোতা হয়, তাহলে হরমুজ প্রণালীতে নৌ চলাচল ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তন আসতে পারে। পাশাপাশি অতীতে দুই দেশের মধ্যে হওয়া কিছু সমঝোতার অংশবিশেষ পুনরায় কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি।
তবে এ বিষয়ে ট্রাম্প প্রশাসন বা ইরানের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
Leave a comment
Your email address will not be published. Required fields are marked *