সাভারে ভবঘুরের ছদ্মবেশে ঘুরে বেড়িয়ে ধারাবাহিক হত্যাকাণ্ড চালানো মশিউর রহমান ওরফে সম্রাটকে গ্রেপ্তারের পর চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছে পুলিশ। পুলিশ জানায়, মানসিক রোগীর মতো আচরণ করলেও তিনি আদৌ পাগল নন; বরং ঠান্ডা মাথার এক সিরিয়াল কিলার।
রোববার বিকেলে সাভার থানার সামনে থেকে সম্রাটকে আটক করা হয়। এর আগে সাভার পৌর কমিউনিটি সেন্টারের পরিত্যক্ত ভবন থেকে এক কিশোরীসহ দুইজনের পোড়া মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। সোমবার তাকে ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, গত বছরের আগস্ট থেকে চলতি জানুয়ারি পর্যন্ত ওই কমিউনিটি সেন্টার এলাকা থেকেই পাঁচটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তদন্তে উঠে আসে, এসব হত্যার সঙ্গে সম্রাট সরাসরি জড়িত।
ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরাফাতুল ইসলাম জানান, সম্রাট ২০২৫ সালের ৪ জুলাই প্রথম খুন করেন। এরপর ধারাবাহিকভাবে আরও পাঁচটি হত্যাকাণ্ড ঘটান। প্রতিটি হত্যাই শ্বাসরোধে এবং তিনটি ক্ষেত্রে মরদেহ পুড়িয়ে ফেলার প্রমাণ পাওয়া গেছে।
দীর্ঘদিন থানার আশপাশে ঘোরাফেরা করলেও অগোছালো আচরণের কারণে সবাই তাকে ভবঘুরে বা মানসিক রোগী ভেবেছিল। রিমান্ডে এনে তাকে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করে সম্ভাব্য অতিরিক্ত হত্যাকাণ্ড ও সহযোগীদের বিষয়ে তদন্ত করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
Leave a comment
Your email address will not be published. Required fields are marked *